বেইজিং সময় ৮ অক্টোবর রাত ১২টায় ভেইকাউসলিগার চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের ৪র্থ পর্বে এক লড়াই হবে। গনিস্তান মুস্তাপেক্কা এরিনায় ইন্টার তুর্কুর মুখোমুখি হবে।

ভেইকাউসলিগার চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডে ৬টি দল খেলে। ৭ রাউন্ড শেষে পয়েন্ট অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন, ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার যোগ্যতা ও চূড়ান্ত স্থান ঠিক হয়। এ রাউন্ডের আগে কুপস ও ইন্টার তুর্কুর পয়েন্ট সমান ৪৮। গোল ব্যবধানে ইন্টার তুর্কু আপাতত ২য়। হেলসিঙ্কির ৪২ পয়েন্ট, গনিস্তানের ৪১ পয়েন্ট নিয়ে ৪র্থ। দুই দলের ব্যবধান মাত্র ৭ পয়েন্ট। গনিস্তান ঘরের মাঠে জিতলে এখনও শীর্ষ তিনের কাছে ঘেঁষার সুযোগ থাকে। ইন্টার তুর্কু পয়েন্ট নিতে চায়, শীর্ষকে ঘনিষ্ঠভাবে তাড়া করতে।

চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের প্রথম তিন রাউন্ডে গনিস্তান ১ জয় ২ ড্র করেছে। প্রথম রাউন্ডে ঘরে কুপসের সঙ্গে ১-১, তারপর অতিথির মাঠে ওউলুকে ২-১-এ হারায়, তৃতীয় রাউন্ডে ঘরে হেলসিঙ্কির সঙ্গে ১-১। এখন পর্যন্ত ৫ পয়েন্ট। দলের সাম্প্রতিক সামগ্রিক ধারা বেশ স্থির, লিগে অপরাজিত ধারা ৭ ম্যাচ পর্যন্ত গড়িয়েছে।

প্রায় ৩ সপ্তাহের বিরতির পর মূল কাজ ম্যাচের ছন্দ ফিরে পাওয়া। প্রধান কোচ লেপালাহতি বলেন, দল আবার ম্যাচে নামার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে, ঘরের মাঠে পুরো শক্তি দিতে চায়। লেপালাহতি এ মৌসুমে দুই দলের আগের লড়াই এড়িয়ে যাননি। গনিস্তান টানা দুবার ইন্টার তুর্কুকে হারিয়েছে। কিন্তু তাঁর মতে প্রথম লড়াইয়ে দুই দলের শক্তি কাছাকাছি ছিল, দ্বিতীয় ম্যাচে ইন্টার তুর্কু ভালো খেলেছিল, গনিস্তানের জয়ে কিছুটা ভাগ্য ছিল। তাই এই কোচ খেলোয়াড়দের বলেন, শুধু আগের জয়ের দিকে তাকানো যাবে না। এ ম্যাচে আগে রক্ষণ গুছিয়ে নিতে হবে, আক্রমণে সাহসও রাখতে হবে।
চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের প্রথম রাউন্ডে ইন্টার তুর্কু অতিথির মাঠে হেলসিঙ্কির কাছে ১-২ হারে। তারপর দ্রুত সামলে নিয়ে পরপর ১-০-তে ভিপিএস ভাসা ও ওউলুকে হারায়। শেষ দুই রাউন্ডে প্রতিপক্ষকে গোলশূন্য রাখে।
দুটি ১-০ খুব চোখে পড়ার মতো নয়, কিন্তু এতে ইন্টার তুর্কুর এখনকার আরও বাস্তববাদী খেলার ধরন দেখা যায়। দল সবসময় দীর্ঘ সময় বল দখলে রাখে না, কিন্তু মধ্যমাঠে বল কেড়ে, ফ্ল্যাঙ্ক দিয়ে এগিয়ে ও সেট পিস থেকে সুযোগ খোঁজে। রক্ষণভাগ টানা দুই রাউন্ড গোল না খাওয়া, শিরোপার লড়াইয়ে থাকা দলের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
ইন্টার তুর্কুর এখন কুপসের সমান ৪৮ পয়েন্ট। শিরোপার উদ্যোগ এখনও তাদের হাতে। দলের অফিসিয়াল ম্যাচ-পূর্ব লেখায় বলা হয়েছে, আগামী ৫ সপ্তাহ ঠিক করবে চ্যাম্পিয়ন, পদক ও ইউরোপীয় আসন কার হবে। স্বাগতিক গনিস্তান নিয়মিত মৌসুমে ইন্টার তুর্কুর একমাত্র এমন প্রতিপক্ষ, যার কাছে তারা দুবার হেরেছে। তাই এই ম্যাচে স্পষ্ট প্রতিশোধের ভাবও আছে।
ইন্টার তুর্কুর ফরোয়ার্ড কোন্তে এ মৌসুমে ১০ গোল করেছেন এবং ১টি অ্যাসিস্ট দিয়েছেন। তিনি দলের প্রধান ফিনিশার। গ্রীষ্মের শেষে যোগ দেওয়া সুইডিশ মধ্যমাঠের খেলোয়াড় সোগ্রেল ভিপিএস ভাসার বিপক্ষে ফ্রি কিক থেকে জয়সূচক গোল করেন। তাঁর সেট পিস ক্ষমতা দলের আক্রমণে নতুন পথ যোগ করেছে।
2026-10-08 12:20 তারিখে পরিবর্তিত হয়েছে
পরবর্তী নিবন্ধ: নেই
বাংলা তথ্য[0]
বাংলা তথ্য[0]